Wednesday, 26 April, 2017

Please use Google Chrome or Mozilla Firefox for best view of www.NYBangla.com

About admin

Related Posts

6 Comments

  1. 1

    সাঈদ, মুক্তিযোদ্ধা বিমানসেনা

    ভাই ফারুক ওয়াহিদ, অপূর্ব আপনার এই লেখাটার ছন্দ, আবেগ, ভাব এবং পরিমার্জনা। এই লেখাটা পড়া দরকার তাদের যারা মুক্তিযুদ্ধকে সন্মান দিতে জানে না, মুক্তিযোদ্ধাদেরকে দেখে থাকে ঈর্ষার চোখে। আমি বিজয় দিবসে এই নিউ ইয়র্কের এক বাংলাদেশী সরকারী অফিসের অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করার সময় প্রশ্ন করেছিলাম, “এই যে আমার দেশের এক সরকারী অফিস এই নিউ ইয়র্কে এতগুলো লোককে একত্রিত করে একটা অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করেছে, আমরা এতগুলো বাংগালী এখানে জড়ো হয়েছি, সবইতো সম্ভব হয়েছে বাংলাদেশ নামক একটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিল বলে, সেই দেশের জন্মতো একটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের ফল এবং সেই যুদ্ধ করেছিল মুক্তিযোদ্ধারা, সামরিক কিংবা বেসামরিক। সেই মুক্তিযোদ্ধারা কি তাদের প্রকৃত সন্মান পাচ্ছেন?” আমি আরও বলেছিলাম ১৯৭০ এর শেষ দিকে একদিন আমি ইসলামাদের আমেরিকান দূতাবাসে গিয়েছিলাম যখন পাকিস্তান এয়ার ফোর্সে চাকুরীরত ছিলাম এবং দেখেছিলাম সেখানকার সব স্থানীয় কর্মকর্তা/কর্মচারীরা সবাই পাঞ্জাবী কিংবা পাঠান। তদানিন্তন পূর্ব পাকিস্তানের আমেরিকান কন্সুলার অফিস থেকে কোনো কেস ভিসার জন্য ইসলামাবাদের ঐ অফিসে গেলে তা আস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করে দিত। আর ঐ পাঞ্জাবী/পাঠানদের কোনো ভিসা দরখাস্ত গেলে তা যথাযথ সন্মান পেত এবং সেই কারনেই ১৯৭১ এর আগে থেকেই পাকিস্তানীরা এখানে এত বেশী সংখ্যক আর বাংগালীরা পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ট হওয়া স্বত্ত্বেও তদানিন্তুন পূর্ব পাকিস্তানীরা নেই। আমরা, বাংগালীরা, এখানে আসতে শুরু করেছি ১৯৭৪ এর পর থেকে বাংলাদেশকে আমেরিকা স্বীকৃতি দেয়ার পর থেকে। সুতরাং মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদেরকে যথাযথ সন্মান দেয়া আমাদের জাতীগত বাধ্যবাধকতা ও দায়ীত্ব। সেখানকার উপস্থিত সবাই, অন্যান্য দেশের অতিথীরাও সেখানে ছিলেন, হাততালি দিয়ে আমার বক্তব্যকে সন্মান জানিয়েছিলেন। সুতরাং আমি বলতে চাই যে আপনার লেখার যে তারতম্য তা আমাদের জাতীয় জীবনের আনাচে কানাচে বপন করার উদ্যোগ যারা নিবে তাদের কাছে কি এই লেখার সারমর্ম পৌছাতে আমরা মুক্তিযোদ্ধারা পারবো? অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, আপনার লেখনী শক্তিকে এগিয়ে নেবার প্রচেষ্টার জন্য।

    Reply
    1. 1.1

      Farouk Waheed

      মুক্তিযোদ্ধা সাঈদ ভাই,
      অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য- বিশেষ করে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে আপনার স্পষ্ট বক্তব্যটি ভালো লেগেছে। আমাদের সবারই উচিৎ যে যার অবস্থান থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে স্পষ্ট করে সত্য কথাটা বলা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা। আবারো ধন্যবাদ আপনাকে।

      Reply
      1. 1.1.1

        সাঈদ, মুক্তিযোদ্ধা

        ফারুক ভাই, আমার লেখা একটা প্রবন্ধ “মুক্তির জন্য মুক্তিযুদ্ধ এবং আমার অবস্থান” দেখেছেন কি? আপনার ই-মেইল জানা থাকলে আবার পাঠাতাম। জানি না আমার এ অদক্ষ হাতের লেখা কেমন লেগেছে? কোনো সাজেশন থাকলে জানাবেন প্লিজ।

        Reply
  2. 2

    সাঈদ, মুক্তিযোদ্ধা

    ‘বাংলাদেশের হৃদয় হতে’ কখন আপনি, কি অপরূপ রূপে মা’ – কিন্তু সেই রূপকে দেখার সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত অনেক বছর যাবত। সেই অপরূপ রূপকে দেখব এবং উপভোগ করবো, করতে থাকব এইতো ছিল প্রত্যাশা এবং সেই প্রত্যাশা থেকেই পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর একজন সদস্য থাকাকালীন পালিয়ে এসে যোগ দিয়েছিলাম মুক্তিযুদ্ধে, ঝাপ দিয়েছিলাম হায়েনাবধে। ছিনিয়ে এনেছিলাম স্বাধীনতা, স্বকীয়তা এবং লাল সবুজ পতাকা। সেই দেশে প্রথমে ছিল দারীদ্রের কষাঘাতে জর্জরিত কিন্তু আজ আর তা নেই, দাড়িয়েছে বিশ্বের বুকে স্বগৌরবে, সেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বর কাছে উন্নয়নের “রোল মডেল”। মার্কিত প্রেসিডেন্ট অন্য দেশ সফরে গিয়ে বলেন, “যদি এই দারিদ্র থেকে মুক্তি চাও তাহলে বাংলাদেশকে অনুসরন কর, কিভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে হয় সেই প্রশিক্ষন বাংলাদেশ থেকে গ্রহন কর।” কিন্তু দূঃখ, সেই দেশকে ফেলে দিনাতিপাত করছি বিদেশের মাটিতে। হয়তোবা কবরটাও এখানে হবে। …………? তবুও আশা করবো আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম যেন সুখে থাকে।

    Reply
    1. 2.1

      Farouk Waheed

      শুধু তাই নয়- সন্তু লারমার সাথে শেখ হাসিনা যাখন শান্তিচুক্তি করলো সেই চুক্তিকে বার বার স্মরণ এবং সম্মান করলো ব্রিটিশ সরকার। ব্রিটিশ সরকার যখন আইরিশ রিপাবলিকান আর্মির(IRA) সাথে শান্তিচুক্তি করলো তখন বার বার বাংলাদেশের নাম উচ্চারণ করলো এবং বার বার বললো আমরা বাংলাদেশকে ফলো করছি।
      শুধু তাই নয়- নিউ অর্লিয়েন্স(আমি নামটা কি ঠিকমতো উচ্চারণ করতে পেরেছি)-এ যখন জলোচ্ছ্বাস এবং ঘূর্ণিঝড় হলো তখন সেখানে অনেক অব্যবস্থা দেখা দিয়েছে- এবং লুঠতরাজ, ধর্ষণ থেকে শুরু করে এমন কোনো কাজ বাকি নাই যে হয় নাই- তখন কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের মিডিয়া বার বলেছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা কেন কাজে লাগালো না এবং কেন বাংলাদেশকে ফলো করলো না? যদি বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতো তাহলে এরকম হতো না। আপনার নিঃশ্চয়ই মনে আছে।

      Reply
    2. 2.2

      Farouk Waheed

      “আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে কখন আপনি/ তুমি এই অপরূপ রূপে বাহির হলে জননী!/ ওগো মা, তোমায় দেখে দেখে আঁখি না ফিরে!- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত রবীন্দ্রনাথের এই গানটি শুনে আপনি শহরিত হয়ে উঠছেন- আর ২০১৭-তে এসে স্কুলের বাংলা পাঠ্য বই থেকে চিরদিনের জন্য পাকিস্তানি প্রেতাত্মারা গান বা কবিতাটি নিষিদ্ধ বা বাদ দিয়ে দিল। এখন বলেন কী মন্তব্য করবেন? আমার এই মুহূর্তে এই স্লোগানটির কথা মনে পড়ছে- ‘একাত্তারের হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার’।

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Contact: Abid Reza, Phone & Text : (518) 217-8499, Email: nybangla@gmail.com (Web Publishing from New York since March 26, 2004)