Thursday, 27 April, 2017

Please use Google Chrome or Mozilla Firefox for best view of www.NYBangla.com

About admin

Related Posts

2 Comments

  1. 1

    সাঈদ, মুক্তিযোদ্ধা বিমানসেনা

    আমাদের সন্তানদেরকে বাংলা শেখাতে ব্যর্থতার জন্য অনে সন্তানরাই বাংলা পড়তে এবং লিখতে পারেনা তাই তারা আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং জাতীয়তার প্রেক্ষাপট সম্পর্কে অবগত নয়। তাই লেখকের এই লেখা তারা পড়তে পারবে কিভাবে? অথচ এই ইতিহাস তাদের জানা উচিত, না জানলে আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাস অচীরেই হারিয়ে যাবে চিরতরে। তাই বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মকে এই তথ্যবহুল রচনা পাঠে উদবুদ্ধ করার লক্ষে ইংরেজী অনুবাদ খবরের পাতায় প্রকাশ করাটা খুবই জরুরী মনে হয়। তাই সুলেখক ও মুক্তিযোদ্ধা ওয়াহিদ ভাইকে অনুরোধ করব যাতে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য এই লেখার ইংরেজী অনুবাদও বের করার জন্য। আশা করবো আমার এই অনুরোধে জন্য কিছু মনে করবেন না। আপনি আমার সাথে অবশ্যই একমত হবেন বলে আশা করবো যে আমরা মুক্তিযোদ্ধারা ইহধাম থেকে চলে যাওয়ার পর খুব কম মেধাবীদেরকেই পাওয়া যাবে যারা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে প্রসারিত করবে কিংবা আদৌ ধরে রাখার চেষ্টা করবে। নিকট অতীতেতো দেখাই দিয়েছিল কিভাবে ইতিহাসকে বিকৃত করতে শুরু করেছিল একটা গোষ্ঠী। সেই গোষ্ঠী যে আবার সেই কর্ম পন্থা চালাবার সুযোগ পাবে তার একেবারেই মনে করি না তবুও আমাদেরকেতো কিছুটা সতর্ক থাকতে হবে। আশা করি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
    আমি দেশে গিয়েছিলাম এবং দেখেছি ২১ ফেব্রুয়ারীতে আমাদের বর্তমান জেনারেশনে ব্যকুল অংশ গ্রহন যা দেখে বেশ শান্তনা পাচ্ছি আমাদের ফেব্রুয়ারী হারিয়ে যাবে না। কিন্তু মার্চ মাস নিয়ে তত বেশী ব্যকুলতে দেখতে পাওয়া যায়নি। মনে হয় ফেব্রুয়ারী নিয়ে যত কলমের কালি খরচ হয়েছে ততটা ২৬ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বরের ঘটনাচক্র স্থান আদৌ পায়নি। অবশ্য ইতিহাস তৈরী হতে এবং পুথিবদ্ধ হতে সময় নিয়ে থাকে। তবুও এখন থেকেই শুরু না হলে এবং আমাদের প্রজন্ম হারিয়ে গেল কে নেবে সেই উদ্যোগ? কার থাকবে সেই উদ্যম ও উদ্দীপনা? তাই একটু সংকিত; ভুল বলছি কি? এত সুন্দর উপস্থাপনা করার জন্য আমার অভিনন্দন ও সালাম লেখককে।

    Reply
  2. 2

    Farouk Waheed

    সাঈদ, মুক্তিযোদ্ধা বিমানসেনা ভাই, আপনি খুব মূল্যবান কথা বলেছেন- একটা প্রজন্ম বেড়েে উঠছে বাঙালির ইতিহাস, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস না জেনে জেনে- অথচ তারা যদি বাংলা পড়তে পারতো তাহলে বাঙালির গৌরবের কথা বীরত্বের কথা জানতে পারতো এবং নিজেদের পরিচয়টা জানতে পারতো তারা যে কতবড় বীরের জাতি। নিউইয়র্কে বাঙালি মালিকানায় বা পরিচালিত ইংরেজি পত্রিকা রয়েছে- তারা ইচ্ছা করলে এই উদ্যোগটা নিতে পারেন। তাছাড়া এই প্রবাসে বাঙালিদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে স্যুভেনীর বের করা হয়- সেখানেতো ইচ্ছা করলে মুক্তিযুদ্ধের ঘটনা বা ইতিহাসগুলো প্রকাশিত হতে পারে- কিন্তু বিড়ালের গলায় ঘন্টা বাঁধবে কে? যেমন বাংলাদেশে- সব শেখ হাসিনার আশায় বসে থাকে- যেনো শেখ হাসিনার ঠেকা- দেশটির অন্য অন্য কারো দায়িত্ব নাই।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Contact: Abid Reza, Phone & Text : (518) 217-8499, Email: nybangla@gmail.com (Web Publishing from New York since March 26, 2004)